Registration Consulting

1. Company Registration

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী (Private Limited Company) : সহজভাবে বলতে গেলে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী বলতে এমন কোম্পানীকে বোঝায়, যে কোম্পানী যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে বাংলাদেশের কোম্পানী আইন- ১৯৯৪ কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশন করা কোম্পানীকে বোঝায় এবং কোম্পানীর শেষে লিমিটেড (Limited) বা সীমিতদায় শব্দটি লেখা থাকে । লিমিটেড বলতে এখানে কোম্পানীর মালিকদের/সদস্যদের দায় শেয়ার মুলধন (Share Capital) দ্বারা সীমাবদ্ধ । । এছাড়া কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর সময় কোম্পানীটি কি কি কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে তাহা কোম্পানী আইন অনুযায়ী তা একটি সংঘ-স্মারক (Memorandum of Association) এর মধ্যে লিখিত আকারে জমা দিতে হবে । এছাড়া কোম্পানীর বিধী-বিধান, কি কি হবে তা (Articles of Association) এর মধ্যে লিখিত আকারে জমা দিতে হবে । এছাড়াও কোম্পানীর মুলধন, পরিশোধিত মুলধন, কোম্পানীর ঠিকানা, পরিচালকবৃন্দের বৃত্তান্ত ইত্যাদি সরকার নির্ধারিত ফরম এর জমা দিতে হবে ।

আপনি যদি আপনার কোম্পানীটি যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করাতে চান তাহলে প্রথমেই আপনাকে যা করতে হবে তাহলো আপনি যে নামে কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন করতে চান সেই নামের একটি ছাড়পত্র যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয় সংগ্রহ করতে হবে । অর্থাৎ আপনার পূর্বে আপনার পছন্দকৃত নামে অন্য কেও কোন কোম্পানী করেছে কিনা এবং আপনার পছন্দকৃত নামে কোম্পানীটি বর্তমান কোম্পানী আইনে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে কিনা সে বিষয়ে একটি ছাড়পত্র নিতে হবে । এরপর আপনাকে সরকারী নিয়ম – কানুন মেনে সংঘ-স্মারক ((Memorandum of Association) এবং কোম্পানীর বিধী-বিধান (Articles of Association) এবং প্রয়োজনীয় ফরম ( যেটা প্রযেজ্য) পুরন করে, কোম্পানীর মূলধন অনুযায়ী সরকার নির্ধারিত ফি ব্যাংক এ জমা দিয়ে কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করতে হবে । সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে আপনাকে একটি সার্টিফিকেট (Incorporation) প্রদান করবে । এরপর প্রতিবছর নিয়ম মেনে যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয় এ আপনার কোম্পানীর হিসাব এবং অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হবে ।

একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী করতে কয়জন পরিচালক (Director) দরকার ?

একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী করতে কমপক্ষে ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জন পরিচালক পরিচালক (Director) দিয়ে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী করা যায় ।

একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী করতে পরিচালকদের (Directors) কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রয়োজন ?

পরিচালকদের (Directors) যে সকল ডকুমেন্টগুলো লাগবে তাহলো ;

  • সকল পরিচালক (Director) এর পাসপোর্ট সাইজ ফটো
  • সকল পরিচালক (Director) এর জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট এর ফটোকপি
  • সকল পরিচালক (Director) এর ই-টিন সার্টিফিকেট এর ফটোকপি
প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা (প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর জন্য আলাদা কোন ই-টিন লাগবে কি ?

জি। প্রাইভেট কোম্পানী হলে প্রত্যেক পরিচালক এর ই-টিন ছাড়াও কোম্পানীর নামে একটি আলাদা ই-টিন (ঊ-ঞওঘ) সার্টিফিকেট খুলতে হবে এবং প্রতি বছর সেই ই-টিন (ঊ-ঞওঘ) অনুযায়ী সরকারী কোষাগারে আয়কর প্রদান করতে হবে ।


2. Trade License Registration

ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কেন প্রয়োজন?

সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্সের সুচনা ঘটে । এই লাইসেন্স উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়ে থাকে । ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স(ঞৎধফব খরপবহপব), আমাদের দেশে এমন অনেক সফল উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী আসেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন কিন্তু এটা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধি । ঞৎধফব মানে হচ্ছে ব্যবসা আর খরপবহংব মানে হচ্ছে অনুমতি অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র । এই ট্রেড লাইসেন্স বাংলাদেশ সরকার সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ এর অধিনে ইস্যু করে থাকে । যেহেতু এই ট্রেড লাইসেন্স সরকারী প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যু করা হয় তাই আপনার ব্যবসার বৈধতার প্রতিক হচ্ছে এই ট্রেড লাইসেন্স ।

কোন জায়গা/প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় ?

সিটি করর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে ।

কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় ?

নির্ধারিত আবেদন ফর্মে ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয় । উদ্যোক্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে । আবেদন ফরম এর সাথে উদ্যোক্তাকে কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয় । ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন এর সাথে কি কি কাগজ পত্র জমা দিতে হবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিবেন । নি¤েœ বিভিন্ন প্রকার ব্যবসার জন্য কি কি ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে তার একটি তালিকা দেয়া হলো:
সাধারণ ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে :

  • দোকান ভাড়ার চুক্তি পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোদের এর ফটোকপি ।
  • আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ।
  • ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ২,০০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে পার্টনারশিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে ।

ফ্যাক্টরির/কারখানা ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে :

  • পরিবেশের ছাড়পত্রের কপি ।
  • প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা/্লাকেশন ম্যাপ ।
  • প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা ।
  • ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্র ।
  • ঢাকা সিটিকর্পোরেশন এর নিয়ম – কানুন মেনে চলার অঙ্গিকারনামা ১৫০/৩০০ টাকারজুডিশিয়ার স্ট্যাম্প এ স্বাক্ষরিত ।

সি.এন.জি ষ্টেশন/দাহ্য পদার্থ ব্যবসার ক্ষেত্রে :

  • বিস্ফোরক অধিদপ্তর/ ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র

ক্লিনিক/প্রাইভেটহাসপাতালএর ক্ষেত্রে :

  • ডিরেক্টর জেনারেল
  • স্বাস্থ্য , কর্তৃক অনুমতিপত্র ।

লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে :

  • কোম্পানির মেমোরেন্ডামঅবআর্টিকেল ।
  • সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন ।

প্রিন্টিং প্রেস এবং আবাসিক হোটেল এর ক্ষেত্রে:

  • ডেপুটি কমিশনার, কর্তৃক অনুমতিপত্র ।

রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে :

  • মানবসম্পদ রপ্তানী বুরে‌্যা কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স ।

অস্ত্র ও গোলাবারুদ এর ক্ষেত্রে:

  • অস্ত্রের লাইসেন্স ।

ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে :

  • ড্রাগ লাইসেন্স এর কপি ।

ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে :

  • সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ।
ট্রেড লাইসেন্স করতে কতো টাকা (ফি) লাগে ?

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর স্থানীয় সরকার বিভাগ, পৌর – ১ শাখা হতে বিশেষ প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারন করা হয় । ব্যবসার ধরন এর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারন করা হয়ে থাকে । স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে তথ্য জানা যাবে।

কারা ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন ?

নারী, পুরুষ উভয়ই ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে তবে অবশ্যই তাকে কোন না কোন ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে হবে । বয়স ১৮ বছর এর উপরে হতে হবে ।

একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যবসায় ব্যবহার করা যায়?

না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একটি ব্যবসার জন্যই প্রযোজ্য অর্থাৎ যে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয় শুধু মাত্র সেই ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্য কোন ধরনের ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে না । নতুন কোন ব্যবসা শুরু করলে তার জন্য নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে ।

একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যাক্তি ব্যবহার করতে পারবেন ?

না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একজন ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ যে ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তার নামে ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয়েছে এটি শুধু মাত্র তার জন্যই প্রযোজ্য । এটা কোনভাবেই হস্তান্তর যোগ্য নয় ।

ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে এবং কোথা থেকে নবায়ন করতে হয় ?

যে অফিস থেকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়, সেখান থেকেই ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা হয় । ট্রেড লাইসেন্স সাধারনত ১ বছর এর জন্য ইস্যু করা হয় । প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় । পুরানো ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় ।


3. Trade Mark Registration

ট্রেডমার্ক হলো এমন একটি স্বাতন্ত্র্যসূচক নাম বা চিহ্ন বা প্রতিক যা একটি কোম্পানীর পণ্যকে অন্য যে কোন কোম্পানীর পণ্য থেকে পৃথক করে একটি স্বতন্ত্র পণ্য বা সেবা হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে সহযোগীতা করে ।

এই চিহ্ন শুধুমাত্র কোম্পানীর পণ্যকে একটি স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যই প্রদান করে না, এটি ক্রেতা বা ভোক্তার আস্থা অর্জনেও ভূমিকা রাখে । ট্রেডমার্ক চিহ্নিত একটি পণ্য দেখে একজন ক্রেতা বা ভোক্তা সহজেই অনুমান করতে পারেন যে পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানীটির নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য বা প্রত্যাশা আছে এবং এটির একটি গুনগত মান আছে ।

আমাদের দেশে প্রচলিত, সুনামধন্য ব্যান্ড এর নামে প্রায়ই নকল পন্য বাজারজাত করতে দেখা যায় । ট্রেডমার্ক সেক্ষেত্রে আপনার পণ্যের ব্র্যান্ড নাম বা লোগোর নিরাপত্তা বিধান এর কাজটি করবে । ধরুন কেও যদি আপনার কোম্পানীর পণ্যের ব্যান্ড বা লোগো ব্যবহার করে পণ্য বাজারজাত করে তাহলে আপনি আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন এবং আইনের সহযোগীতায় সেই নকলজাত পণ্য বাজারজাত বন্ধসহ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা বা ক্ষতিপূরন আদায় করতে পারবেন ।

একবার ভাবুন তো । আপনি বা আপনাদের কোম্পানী বছরের পর বছর ধরে পরিশ্রম করে, টাকা খরচ করে আপনাদের কোম্পানীর পণ্যের জন্য যে ব্যান্ড প্রতিষ্ঠা করলেন, ক্রেতা এবং ভোক্তার কাছে জনপ্রিয় করে তুললেন, আস্থা অর্জন করলেন মূহুর্তের মধ্যে সেই জনপ্রিয়, আস্থাভাজন ব্যান্ড এর নামে আরেকজন একই ধরনের পণ্য বাজারজাত করা শুরু করলো ।

দিন দিন কমতে হারাতে থাকলো আপনাদের বাজার, আস্থা, বিক্রি অন্যদিকে আপনি আইনেরও আশ্রয় নিতে পারছেন না কারন আপনি যেমন পণ্যের ব্যান্ড নামটি দাবী করছের ঠিক তেমনি পরবর্তীতে যিনি নকল পণ্য বাজারজাত করছে উনিও দাবী করছেন, ব্যান্ড নামটি!

অথচ আপনি যদি আপনার ব্যান্ড নাম বা লোগোটি ট্রেডমার্ক করে রাখতেন তাহলে হয়তো এ রকম পরিস্থিতিতে আপনি আইনের আশ্রয় নিয়ে আপনি আপনার পন্যের ব্র্যান্ড নাম বা লোগোর উপর আপনার অধিকার অক্ষুন্ন রাখতে পারতেন ।

তাই কোন পন্যের ব্যান্ড তৈরীর আগে অবশ্যই তার উপর, আপনার কোম্পানীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ট্রেডমার্ক করে নেয়া প্রয়োজন ।

কি কি ডকুমেন্ট লাগবেট্রেড মার্ক করতে?
  • যে নাম বা লোগোটি রেজিষ্ট্রেশন (ট্রেডমার্ক) করবেন সেটার একটি কপি ।
  • ট্রেড মার্ক আবেদন পত্র ।
  • সরকারী ফি ।
কতদিন সময় লাগবে ট্রেডমার্ক করতে?
  • ১ থেকে ২ দিন লাগবে ট্রেডমার্ক আবেদন পত্র জমা করতে ।
  • ১২ থেকে ১৬ মাস লাগবে রেজিস্ট্রেশন এর পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ।
এটি কি প্রতি বছর রিনিউ (হালনাগাত) করতে হয়?

না এটি প্রতি বছর রিনিউ (হালনাগাত) করতে হয় না ।


4. IRC & ERC Registration

Now an importer having Import Registration Certificate (IRC) and an Exporter having Export Registration Certificate (ERC) can Import & Export any permissible item without any value and quantity restrictions and without obtaining any permission from any authority.

Procedure for issuance of Import Registration Certificate and Export Registration Certificate has been simplified. It requires only the following documents:

  1. Trade Licence;
  2. Membership Certificate from recognized Chamber/Trade Association;
  3. Tax Identification Number;
  4. Bank Certificate;
  5. Memorandum and Articles of Association and Certificate of Incorporation (in case of Limited Company).

On submission of the above documents, we issue IRC/ERC within three hours, i.e. within the same day.

    The importers have been classified into 6 (six) categories on the basis of their value ceiling of overall annual import. The initial category wise registration fees and annual renewal fees are as under:

CategoryValue Ceiling of annual importInitial Registration feesAnnual renewal fees
FirstTk. 5,00,000Tk. 5,000Tk. 3,000
SecondTk. 25,00,000Tk. 10,000Tk. 6,000
ThirdTk. 50,00,000Tk. 18,000Tk. 10,000
FourthTk. 1,00,00,000Tk. 30,000Tk. 15,000
FifthTk. 5,00,00,000Tk. 45,000Tk. 22,000
SixthAbove Tk. 5,00,00,000Tk. 60,000Tk. 30,000

Exporters shall pay registration and renewal fees at the following rates :-

Initial registration feesRenewal fees
ExporterTk. 7,000.00Tk. 5,000.00
IndentorTK. 40,000.00Tk. 20,000.00



5. E-Tin Registration

In this guideline we shall describe the procedure as to how to obtain the  TIN Certificate in Bangladesh along with the documents requirements.

Taxation is the primary source of income for the government of any country. Hence the Government provides a Tax Identification Number, also known as TIN which is an identification number issued to an individual or a company to track tax payments to the government. In Bangladesh The National Board of Revenue (NBR) is the only authority to provide TIN Certificate to the applicant. One can either obtain TIN Certificate in Bangladesh manually or electronically by applying to NBR. When you obtain the TIN Certificate in Bangladesh through electronically it is called E-TIN. Every citizen, whoever has a job shall be required to obtain a TIN Certificate irrespective of their annual income.
Moreover, all the business entities such as, CompanyBranch/Liaison Office, needs to apply to NBR to obtain TIN Certificate, as it is a mandatory in order to continue the business. The current government in order to digitalize the nation has introduced E-TIN for enhancing the quality and efficiency in tax collection procedure. The process for obtaining tax certificate online is easy and hassle free, if applied in the correct way with supporting documents. The Tax Ordinance, 1984 provides all provisions related to tax certificate.

The Step by Step Procedure to obtain E-TIN Certificate in Bangladesh:

The followings are the steps one needs to follow to obtain TIN certificates in Bangladesh, since the process is digitalised, lots of hassle and time has been saved:

  • At First, Visit the Website https://secure.incometax.gov.bd/ TIN Home
  • Create a User ID by proving necessary information’s in the Registration form
  • In order to obtain a User ID and password to open an account, a phone number needs to be provided to the portal.
  • A code is sent to the number and this code shall be used to obtain User ID/Password.
  • Log-In with User ID/Password
  • Fill in the TIN Registration form by providing relevant information of the applicant/Company
  • Preview the submitted application.
  • Obtain E-TIN Certificate.